নিজস্ব প্রতিবেদক :
বগুড়া সদরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ রেজাউল নামের এক ব্যক্তি নিজেকে হয়রানি ও উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সদস্য এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সাধারণ সম্পাদক বলে পরিচয় দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মো. রেজাউল অভিযোগ করে বলেন, গোদারপাড়া এলাকায় অবস্থিত আব্দুল জলিল দুদু মার্কেট—বর্তমানে যা গোলাম রসুল মার্কেট নামে পরিচিত—এর কয়েকটি দোকানের পজিশন তিনি পূর্ব মালিক মৃত আব্দুল জলিল দুদুর কাছ থেকে এবং পরবর্তীতে তার ছেলে আমিনুর ইসলামের কাছ থেকেও ক্রয় করেন। পরে বিল্ডিংয়ের কবলা মালিকানা তথাকথিত সাংবাদিক আমিন ক্রয় করলেও আগের পজিশনের মালিকরা স্ব স্ব অবস্থানে থাকবেন—এমন শর্ত ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তার অভিযোগ, বিল্ডিং ক্রয়ের পর তথাকথিত সাংবাদিক আমিন তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিঁড়িতে তালা দিয়ে দোকানে যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চললেও বাজার কমিটির একাধিক নির্দেশ উপেক্ষা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে তদন্ত শেষে বিষয়টি বাজার কমিটির মাধ্যমে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানান মো. রেজাউল। তবে এরপরও তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাকে ৩৭ নম্বর আসামি করা হয়—যেখানে তিনি নিজেকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির শিকার বলে দাবি করেন। পরে বাদী এ বিষয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে তার নাম সংশোধন করেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে মো. রেজাউল বগুড়া পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জান